জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রাক্কালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে বরিশাল জেলায় ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা সাহসিকতার সঙ্গে নেতৃত্ব দেন। জেলার বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে সংগঠনের নেতাকর্মীরা ছাত্রদের সংগঠিত করে রাস্তায় নেমে আসেন, সরকারের নিপীড়ন ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার হন।
বরিশাল সরকারি বিএম কলেজ শাখায় আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন বরিশাল জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাব্বির হোসেন সোহাগ এবং বর্তমান দত্ত সম্পাদক ওতাওসিফ আহমেদ সাব্বির দত্ত।
উজিরপুর সরকারি শের-ই-বাংলা ডিগ্রি কলেজ ও বিএন খান কলেজের শিক্ষার্থীদের নিয়ে সাহসিকতার সঙ্গে নেতৃত্ব দেন বরিশাল জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের প্রচার সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল সুজন।
বরিশাল সরকারি কলেজে আন্দোলনের মঞ্চে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন সদর উপজেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি কেএম মাইনুল।
বাকেরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীদের একত্রিত করে সংগঠিতভাবে আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন বরিশাল জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি মিরাজ খান তুষার।
সদর উপজেলার বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীদের সংগঠিত করে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ইমরান সিকদার।
বরিশাল মহানগর এলাকায় ছাত্র ও সাধারণ জনগণকে সংগঠিত করে আন্দোলনের সামনের সারিতে নেতৃত্ব দেন মহানগর ছাত্র অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রোকনুজ্জামান।
চৌমাথা এলাকাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নেতৃত্ব দেন বরিশাল জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইমাম হাওলাদার। উজিরপুরের ধামুরা ডিগ্রি কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নেতৃত্ব দেন উজিরপুর উপজেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি কাজী সাকিব।
গৌরনদী সরকারি কলেজসহ আশপাশের কলেজগুলোতে আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন গৌরনদী উপজেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ শাহরুখ হোসেন।
এছাড়াও বরিশালের বিভিন্ন এলাকায় ছাত্র অধিকার পরিষদ, যুব অধিকার পরিষদ ও গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা প্রতিকূল পরিস্থিতি ও প্রশাসনিক বাধা উপেক্ষা করে সুসংগঠিতভাবে শিক্ষার্থীদের সংগঠিত করেন এবং সামনের সারিতে থেকে আন্দোলনে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন।
এই আন্দোলন শুধু একটি রাজনৈতিক সংগ্রাম নয়, বরং এটি ছিল বৈষম্য, শোষণ ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে তরুণ সমাজের প্রতিবাদ—যার নেতৃত্বে বরিশালের সাহসী ছাত্র নেতারা অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।