• বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ১১:৫১ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
‎ববিতে দর্শন বিভাগ কর্তৃক ‘একাডেমিক নাগরিকত্ব’ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত বাবুগঞ্জে জমি বিরোধে হাতুড়ি পেটা করে পিতা-পুত্র হাসপাতালে পাঠালেন সন্ত্রাসী সাব্বির ‎ববিতে ঝালকাঠি জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতির  নেতৃত্বে নাহিদ – শিফাত গলাচিপায় ছাত্রদলে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ,অবহেলিত তৃণমূল নেতা-কর্মীরা বরিশালে ডিস ব্যবসা দখলকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে অপহরণ ও মারধরের অভিযোগ হানাদার মুক্ত দিবসে ববিতে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন ‎সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত ববি শিক্ষার্থী বিশ্বজিৎ অসহায় পরিবারের মানবিক সহায়তার আকুতি ‎বরিশাল দক্ষিণ জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বেলায়েতের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার বরিশাল -০৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনে গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন ফরম তুলেছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সালাউদ্দিন সানু, একের পর এক নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ব্যানারে মিছিল ববি ক্যাম্পাসে,নেপথ্যে কে!

ববির স্টোর শাখার উদাসীনতায় নষ্ট হচ্ছে ১১ লাখ টাকার সরঞ্জাম

Reporter Name / ৩১৮ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

‎স্টাফ রিপোর্টার::
‎বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টোর শাখার অবহেলায় প্রায় ১১ লাখ টাকার অফিস সরঞ্জাম তিন মাস ধরে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদাসীনতা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা।
সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ‘Supply of Office Equipments for the University of Barishal, Package No-02’ শিরোনামে সরঞ্জাম সরবরাহের কাজের চুক্তিপত্র জারি হয় গত ২৪ মার্চ। এরপর ২৯ মে ২০২৫ তারিখে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে Notification of Award (NOA) প্রদান করা হয়। চুক্তি অনুযায়ী প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত সময়ে সরঞ্জাম সরবরাহ করে এবং গত ২৬ জুন ২০২৫ তারিখে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টোর শাখায় মালামাল হস্তান্তর করে।
কিন্তু তিন মাস পেরিয়ে গেলেও স্টোর শাখা এসব সরঞ্জাম সংশ্লিষ্ট দপ্তরে বিতরণ করেনি। ফলে সরঞ্জামগুলো অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থেকে নষ্ট হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
‎অভিযোগ উঠেছে—স্টোর শাখার সহকারী রেজিস্ট্রার  তৌসিক আহমেদ রাহাতের অবহেলা ও গড়িমসির কারণেই সরঞ্জাম বণ্টন হয়নি। শিক্ষার্থীরা প্রশ্ন তুলেছেন, “এত টাকা ব্যয়ে সরঞ্জাম কেনা হলো, অথচ ব্যবহার না করে ফেলে রাখা হয়েছে। নষ্ট হলে এর দায় নেবে কে?”
স্টোরে যে সকল মালামাল ঢুকে তার হিসাবে ও গরমিল আছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকে কি পরিমাণ মালামাল আছে তারও কোন হিসাব স্টোর শাখা নেই।
‎তবে এ বিষয়ে সহকারী রেজিস্ট্রার তৌসিক আহমেদ রাহাত দায়িত্ব এড়িয়ে গিয়ে দোষ চাপান বণ্টন কমিটির ওপর। তিনি দাবি করেন, “এখানে আমার করার কিছু নেই, বণ্টন কমিটির গাফিলতির কারণেই এ সমস্যা।” বণ্টন কমিটির সভাপতির নামও উল্লেখ করেন তিনি।
বিভিন্ন  অফিস স্টোর শাখায় এন্ট্রি করতে গেলে বিড়ম্বনা শিকার হয় এবং  ঠিকাদারদের সাথে খারাপ ব্যবহার করে।
‎বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে অনেকেই মনে করেন, স্টোর শাখার অবহেলাই এ সংকটের মূল কারণ। রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ‘মনমতো কাজ করার সংস্কৃতি’ই এসব সমস্যার জন্ম দিচ্ছে।
‎প্রশাসনের দাবি, সরঞ্জাম সঠিক সময়ে বিতরণ হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিস কার্যক্রমে গতি আসবে এবং বিভিন্ন দাপ্তরিক সংকটও কাটবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd